লাইটিক ও লাইসোজেনিক চক্রের পার্থক্য
Published Date : 21-04-10
177 Views

লাইটিক ও লাইসোজেনিক চক্রের পার্থক্য

লাইটিক চক্র লাইসোজেনিক চক্র
লাইটিক চক্রের মাধ্যমে সমগ্র ভাইরাসটি গঠিত হয়। লাইসোনিক চক্রে ভাইরাল DNA অণুটিরই প্রতিলিপি গঠিত হয় কিন্তু সম্পূর্ণ ভাইরাস সৃষ্টি হয় না।
আক্রমণের প্রকৃতি তীব্র বা ভিরুলেন্ট (Virulent )। পোষক কোশের মৃত্যু ঘটে না তাই আক্রমণ মৃদু বা টেম্পারেট (Temperate )।
প্রোফেজ গঠিত হয় না। টেম্পারেট ফাজের DNA ব্যাকটেরিয়ার DNA অনুর সঙ্গে যুক্ত হয় – এই অবস্থায় ফাজকে প্রোফাজ বলা হয়।
পোষক ব্যাক্টেরিয়া কোশের বিদারণ ঘটে। পোষক ব্যাক্টেরিয়ার বিদারণ ঘটে না।
পোষক ব্যাক্টেরিয়ার DNA বিনষ্ট হয়। পোষক ব্যাক্টেরিয়ার DNA এর সঙ্গে যুক্ত হয়েই ব্যাক্টেরিয়ার DNA এর সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল DNA এর প্রতিলিপি গঠিত হয়।
ব্যাক্টেরিয়ার জেনেটিক পুনঃসংযোজন পদ্ধতিতে কোনো ভূমিকা নেই। ট্রান্সডাকশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাক্টেরিয়ার জেনেটিক পুনঃসংযোজন ঘটায়। এ ছাড়া লাইসোজেনিক রূপান্তরের মাধ্যমে ব্যাক্টেরিয়াতে নতুন বৈশিষ্টের সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ – T2 ফাজ , T4 ফাজ। উদাহরণ – ল্যামডা ফাজ।

 

0 0 votes
Article Rating
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments